**
* টিফিনের ফাকে প্রেম *
একদিন টিফিনের ছুটির সময় আমি আর এক বন্ধু মিলে অষ্টম শ্রেণীতে গিয়ে
মেয়ে একটার টিফিন চুরি করে আনলাম।
মেয়েটি তখন
পানি আনার জন্য বাইরে গেছিল।তাই সে দেখতে পায়নি।
এদিকে আমরা আমাদের ক্লাসে এসে খাওয়া শুরু করে দিয়েছি।
মেয়েটি এসে তার টিফিন খুজে না পেয়ে কার কাছ থেকে জানি জিজ্ঞেস
করে আমাদের রুমে চলে এল।
ও হে আমি সবেমাত্র রোল
আট হয়ে নবম শ্রেণীতে উঠলাম।স্বভাবত দুষ্টুমি
একটু বেশিই করতাম।আর
আমার দুষ্টমির স্বীকার হল অষ্টম শ্রেণীর এক মেয়ে।
আমাদের নবম শ্রেণীর পাশেই
ছিল অষ্টম শ্রেণীর মেয়েদের রুম।
পড়ালেখা তেমন একটা করতামনা।
সারাক্ষণ খালি
দুষ্টুমিই করতাম।অনেকবার
বকা-মার ও খেয়েছি স্যার থেকে।
আমাদের রুমে এসেই আমাকে ধমক দিয়ে বলল,
----এই যে মেয়ের টিফিন চুরি করে খাচ্ছেন লজ্জা করেনা আপনার?
--হুম,করে ত,তাই আমাদের রুমে খাচ্ছি।(আমি)
সে রেগে তথমত হয়ে বলল,
--আমি এক্ষুনী গিয়ে স্যার কে বলছি....
সে তৎক্ষনাৎ চলে গেল।
কিছুক্ষন পর যখন ঘন্টা পড়ল
তখন অষ্টম শ্রেণীর মেয়ে একটা আমাদের ক্লাস রুমে এসে বলল,ভাইয়া আপনাকে
আমাদের স্যার ডাকছে,
আমি মনে মনে ভয় পেয়ে গেলাম।
একি!সত্যিই তো সে মেয়েটি
গিয়ে তাদের ক্লাসের স্যার
কে বলে দিয়েছে তাইতো আমাকে ডেকে পাঠিয়েছে।
স্যার আমাকে বলল,কাল তুই
মেয়েটার জন্য ভাত আনবি,
এদিকে সবাই
হাসাহাসি করতে লাগল।
আমার লজ্জায় মাথা
হেট হয়ে যাচ্ছিল।
যাহোক,করার কিছু নেই,
স্যারের কথায় রাজি হয়ে গেলাম।
পরদিন ঠিকটাক
মত তার জন্য ভাত আনলাম।
সে ও আমার ভাতের জন্য অপেক্ষায় রইল।টিফিনে এসে সে ভাতগুলো নিয়ে গেল।
আমি তাকে কিছুই বললামনা।সত্যি কথা বলতে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছিলাম।
তাই তার সাথে ভাব করা শুরু করে দিলাম।তাকে বললাম,
--পানি লাগবে?(আমি)
--লাগবে তো,তা তুমি এনে দেবে নাকি?
(এটা শুনে মনে হল সে ও কিছুটা আমার প্রেমে পড়ে গেছিল)
আমি বললাম,
--হে দেবোতো,বোতল দাও,
সে সাথে সাথে তার ব্যাগ থেকে
বোতলটা বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিল।
আমি বোতলটা পূর্ণ করে এনে দিয়ে তার হাতে ধরিয়ে দিয়ে দাড়িয়ে রইলাম।
সে বলল,অমন করে দাড়িয়ে থেকেছ কেন?যাও ক্লাসে যাও।
আমি কিছুতেই গেলামনা।বললাম,
--খুব ক্ষিদে পেয়েছে।
সে বলল,
--তো আমি কি করব,যাও নাস্তা কর গিয়ে।
--আমার যে টাকা নেই,
--ইহ!টাকা নেই!!!
আমি বললাম,
--তোমার কাছ থেকে খাব,দিবে?
--কি???দেখতে পাচ্ছনা সবাই দেখছে,হয়েছে এবার চলে যাও,আমি খাইয়ে দিতে পারবনা।
আমি কিছুতেই গেলামনা।বললাম,
--আমাকে খাইয়ে দিতে হবে,শুধু
একবার,প্লীজ,প্লীজ,প্লীজ!
সে অগত্যা রাজি হল.......
--আচ্ছা ঠিক আছে খাইয়ে দিব।তবে এক বার শুধু দিব।
--আচ্ছা ঠিক আছে,একবার...
সে তার একটি ছোট্ট হাত দিয়ে আমায়
একবার খাইয়ে দিয়ে বলল,হয়েছে
এবার চলে যাও।
তারপর আমি তার দিকে একবার
চেয়ে চলে গেলাম।
ও হে তার নামটাতো জানা হয়নি।টিফিনে ভাত খাওয়ার পর সে একটু বাইরে ঘুরতে যেত।
আমি ও চলে যেতাম।
আমাদের স্কুলের পাশে প্রাইমারী স্কুল।
সেখানে গিয়ে বসে থাকতো সে তার বান্ধবীদের নিয়ে।আজকে দেখলাম তার বান্ধবী আসেনি তাই সে একলা বসে রইল।
আমি গিয়ে সোজা তার থেকে
একটু ফাক হয়ে বসে গেলাম।
সে প্রথমত একটু ইতস্তত করলেও
এরপর কিছু বলেনি,
আমি বললাম,
--আসলে,ওইদিনের জন্য আমি দুঃখিত,আমার আসলে এটা করা
উচিত হয়নি।
সে বলল--
---ছি!ছি!এসব কি বলছেন?
এটাতো জাস্ট ফান
করেছিলেন।আরে আমি
তো এটা ভুলেই গেছিলাম।
---ও আচ্ছা তাই,তাইনাকি,আচ্ছা আপনার নামটা একটু বলবেন,প্লীজ!
---কেন?নাম জেনে কি করবেন?
---মানে একটু.................
--কি?????
কিছুনা।
এই বলে দৌড় দিলাম।সে
বোধহয় কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছিল
যে আমি তাকে
ভালোবাসি।
এদিকে আমি প্রতিদিন টিফিনে
ওর সাথে কথা বলি
কিন্তু বলতে
পারিনা যে তাকে ভালো বাসি।
সে ও কিন্তু আমায় খুব ভালো বাসে।
তা তার কথা শুনে বুঝা যায়।
একদিন মনে ঠিক করলাম।
আজ বলেই দিব।
কিন্তু বলার সাহস নেই।
তাই একটা চিঠি লিখে তার টিফিন বক্সে ঢুকিয়ে দিলাম।
মনে মনে খুব ভয় করতে লাগল।
সে টিফিন বের করল।
চিঠিটাও পড়ল।
কিন্তু কোন উত্তর দিলনা।
পরের দিন সে স্কুলে ও এলনা
আজসহ তিনদুন সে স্কুলে এলনা।
এদিকে আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছিল।
মনে মনে বলতে লাগলাম
কেন যে প্রপোজ করতে গেলাম কে
জানে।
পরের দিন সে স্কুলে এল।আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল তা বলে বুঝানো যাবেনা।
টিফিনের সময় প্রাইমারী স্কুলে গিয়ে
যখনি তার কাছে গেলাম,
সে তখনি
আমার চিঠি টা দেখিয়ে বলল,
---এটা কি???
--এটা চিঠি,তোমাকে দিছি,বুঝনি?(আমি)
---কি বুঝতাম?দুষ্টুমিহচ্ছে,না?
এরকম কয়টা মেয়ের সাথে করেছ
দুষ্টুমি করেছ?
আমি এবার সত্যি সত্যি কেদেঁ
দিলাম আর বললাম,
---বিশ্বাস কর,আমি দুষ্টুমি
করি ঠিক,
কিন্তু এসব কাউকে কোনো দিন দেয়নি।
সত্যিই আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
তুমি স্কুলে আসনি বলে আমি একটুও শান্তি তে থাকতে পারিনি,
বিশ্বাস কর,আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি,তৃমি যদি চাওতো আমি সব দুষ্টুমি ছেড়ে দেব।
এরপর সে হঠাৎ আমার হাতটা ধরে ফেলল আর বলল,
---আরে গাধা আমি কি তোমাকে কম ভালবাসি নাকি! আমি স্কুলে না এসে দেখতে চেয়ে ছিলাম তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাসো...
এবার আমার খুশী দেখে কে!
তার সাথে প্রাণ খুলে কথা বলতে লাগলাম...
---এই যে আজ কিন্তু ভাত
খাইয়ে দিতে হবে।
নাইলে আগামী তিন দিন
আমি স্কুলে আসব না।
---আচ্ছা ঠিক আছ বাবা,
দিব।তবুও স্কুলে
আসতে হবে ।কারণ আমি
তোমাকে দেখা ছাড়া থাকতে পারব না।
এমন মধুর মধুর আলাপ-আলোচনা চলতে চলতে
কখন যে ঘন্টা পড়ে গেল বুঝতে পারলামনা।
সমাপ্ত
* কমেন্ট বক্সে অবশ্যই কমেন্ট করে
জানাবেন গল্পটি কেমন লাগব.....ধন্যবাদ *
* টিফিনের ফাকে প্রেম *
একদিন টিফিনের ছুটির সময় আমি আর এক বন্ধু মিলে অষ্টম শ্রেণীতে গিয়ে
মেয়ে একটার টিফিন চুরি করে আনলাম।
মেয়েটি তখন
পানি আনার জন্য বাইরে গেছিল।তাই সে দেখতে পায়নি।
এদিকে আমরা আমাদের ক্লাসে এসে খাওয়া শুরু করে দিয়েছি।
মেয়েটি এসে তার টিফিন খুজে না পেয়ে কার কাছ থেকে জানি জিজ্ঞেস
করে আমাদের রুমে চলে এল।
ও হে আমি সবেমাত্র রোল
আট হয়ে নবম শ্রেণীতে উঠলাম।স্বভাবত দুষ্টুমি
একটু বেশিই করতাম।আর
আমার দুষ্টমির স্বীকার হল অষ্টম শ্রেণীর এক মেয়ে।
আমাদের নবম শ্রেণীর পাশেই
ছিল অষ্টম শ্রেণীর মেয়েদের রুম।
পড়ালেখা তেমন একটা করতামনা।
সারাক্ষণ খালি
দুষ্টুমিই করতাম।অনেকবার
বকা-মার ও খেয়েছি স্যার থেকে।
আমাদের রুমে এসেই আমাকে ধমক দিয়ে বলল,
----এই যে মেয়ের টিফিন চুরি করে খাচ্ছেন লজ্জা করেনা আপনার?
--হুম,করে ত,তাই আমাদের রুমে খাচ্ছি।(আমি)
সে রেগে তথমত হয়ে বলল,
--আমি এক্ষুনী গিয়ে স্যার কে বলছি....
সে তৎক্ষনাৎ চলে গেল।
কিছুক্ষন পর যখন ঘন্টা পড়ল
তখন অষ্টম শ্রেণীর মেয়ে একটা আমাদের ক্লাস রুমে এসে বলল,ভাইয়া আপনাকে
আমাদের স্যার ডাকছে,
আমি মনে মনে ভয় পেয়ে গেলাম।
একি!সত্যিই তো সে মেয়েটি
গিয়ে তাদের ক্লাসের স্যার
কে বলে দিয়েছে তাইতো আমাকে ডেকে পাঠিয়েছে।
স্যার আমাকে বলল,কাল তুই
মেয়েটার জন্য ভাত আনবি,
এদিকে সবাই
হাসাহাসি করতে লাগল।
আমার লজ্জায় মাথা
হেট হয়ে যাচ্ছিল।
যাহোক,করার কিছু নেই,
স্যারের কথায় রাজি হয়ে গেলাম।
পরদিন ঠিকটাক
মত তার জন্য ভাত আনলাম।
সে ও আমার ভাতের জন্য অপেক্ষায় রইল।টিফিনে এসে সে ভাতগুলো নিয়ে গেল।
আমি তাকে কিছুই বললামনা।সত্যি কথা বলতে আমি তার প্রেমে পড়ে গেছিলাম।
তাই তার সাথে ভাব করা শুরু করে দিলাম।তাকে বললাম,
--পানি লাগবে?(আমি)
--লাগবে তো,তা তুমি এনে দেবে নাকি?
(এটা শুনে মনে হল সে ও কিছুটা আমার প্রেমে পড়ে গেছিল)
আমি বললাম,
--হে দেবোতো,বোতল দাও,
সে সাথে সাথে তার ব্যাগ থেকে
বোতলটা বের করে আমার হাতে ধরিয়ে দিল।
আমি বোতলটা পূর্ণ করে এনে দিয়ে তার হাতে ধরিয়ে দিয়ে দাড়িয়ে রইলাম।
সে বলল,অমন করে দাড়িয়ে থেকেছ কেন?যাও ক্লাসে যাও।
আমি কিছুতেই গেলামনা।বললাম,
--খুব ক্ষিদে পেয়েছে।
সে বলল,
--তো আমি কি করব,যাও নাস্তা কর গিয়ে।
--আমার যে টাকা নেই,
--ইহ!টাকা নেই!!!
আমি বললাম,
--তোমার কাছ থেকে খাব,দিবে?
--কি???দেখতে পাচ্ছনা সবাই দেখছে,হয়েছে এবার চলে যাও,আমি খাইয়ে দিতে পারবনা।
আমি কিছুতেই গেলামনা।বললাম,
--আমাকে খাইয়ে দিতে হবে,শুধু
একবার,প্লীজ,প্লীজ,প্লীজ!
সে অগত্যা রাজি হল.......
--আচ্ছা ঠিক আছে খাইয়ে দিব।তবে এক বার শুধু দিব।
--আচ্ছা ঠিক আছে,একবার...
সে তার একটি ছোট্ট হাত দিয়ে আমায়
একবার খাইয়ে দিয়ে বলল,হয়েছে
এবার চলে যাও।
তারপর আমি তার দিকে একবার
চেয়ে চলে গেলাম।
ও হে তার নামটাতো জানা হয়নি।টিফিনে ভাত খাওয়ার পর সে একটু বাইরে ঘুরতে যেত।
আমি ও চলে যেতাম।
আমাদের স্কুলের পাশে প্রাইমারী স্কুল।
সেখানে গিয়ে বসে থাকতো সে তার বান্ধবীদের নিয়ে।আজকে দেখলাম তার বান্ধবী আসেনি তাই সে একলা বসে রইল।
আমি গিয়ে সোজা তার থেকে
একটু ফাক হয়ে বসে গেলাম।
সে প্রথমত একটু ইতস্তত করলেও
এরপর কিছু বলেনি,
আমি বললাম,
--আসলে,ওইদিনের জন্য আমি দুঃখিত,আমার আসলে এটা করা
উচিত হয়নি।
সে বলল--
---ছি!ছি!এসব কি বলছেন?
এটাতো জাস্ট ফান
করেছিলেন।আরে আমি
তো এটা ভুলেই গেছিলাম।
---ও আচ্ছা তাই,তাইনাকি,আচ্ছা আপনার নামটা একটু বলবেন,প্লীজ!
---কেন?নাম জেনে কি করবেন?
---মানে একটু.................
--কি?????
কিছুনা।
এই বলে দৌড় দিলাম।সে
বোধহয় কিছুটা আন্দাজ করতে পেরেছিল
যে আমি তাকে
ভালোবাসি।
এদিকে আমি প্রতিদিন টিফিনে
ওর সাথে কথা বলি
কিন্তু বলতে
পারিনা যে তাকে ভালো বাসি।
সে ও কিন্তু আমায় খুব ভালো বাসে।
তা তার কথা শুনে বুঝা যায়।
একদিন মনে ঠিক করলাম।
আজ বলেই দিব।
কিন্তু বলার সাহস নেই।
তাই একটা চিঠি লিখে তার টিফিন বক্সে ঢুকিয়ে দিলাম।
মনে মনে খুব ভয় করতে লাগল।
সে টিফিন বের করল।
চিঠিটাও পড়ল।
কিন্তু কোন উত্তর দিলনা।
পরের দিন সে স্কুলে ও এলনা
আজসহ তিনদুন সে স্কুলে এলনা।
এদিকে আমার বুকটা ফেটে যাচ্ছিল।
মনে মনে বলতে লাগলাম
কেন যে প্রপোজ করতে গেলাম কে
জানে।
পরের দিন সে স্কুলে এল।আমার যে কি আনন্দ হচ্ছিল তা বলে বুঝানো যাবেনা।
টিফিনের সময় প্রাইমারী স্কুলে গিয়ে
যখনি তার কাছে গেলাম,
সে তখনি
আমার চিঠি টা দেখিয়ে বলল,
---এটা কি???
--এটা চিঠি,তোমাকে দিছি,বুঝনি?(আমি)
---কি বুঝতাম?দুষ্টুমিহচ্ছে,না?
এরকম কয়টা মেয়ের সাথে করেছ
দুষ্টুমি করেছ?
আমি এবার সত্যি সত্যি কেদেঁ
দিলাম আর বললাম,
---বিশ্বাস কর,আমি দুষ্টুমি
করি ঠিক,
কিন্তু এসব কাউকে কোনো দিন দেয়নি।
সত্যিই আমি তোমাকে অনেক ভালোবাসি।
তুমি স্কুলে আসনি বলে আমি একটুও শান্তি তে থাকতে পারিনি,
বিশ্বাস কর,আমি তোমাকে অনেক ভালবাসি,তৃমি যদি চাওতো আমি সব দুষ্টুমি ছেড়ে দেব।
এরপর সে হঠাৎ আমার হাতটা ধরে ফেলল আর বলল,
---আরে গাধা আমি কি তোমাকে কম ভালবাসি নাকি! আমি স্কুলে না এসে দেখতে চেয়ে ছিলাম তুমি আমাকে কতটুকু ভালবাসো...
এবার আমার খুশী দেখে কে!
তার সাথে প্রাণ খুলে কথা বলতে লাগলাম...
---এই যে আজ কিন্তু ভাত
খাইয়ে দিতে হবে।
নাইলে আগামী তিন দিন
আমি স্কুলে আসব না।
---আচ্ছা ঠিক আছ বাবা,
দিব।তবুও স্কুলে
আসতে হবে ।কারণ আমি
তোমাকে দেখা ছাড়া থাকতে পারব না।
এমন মধুর মধুর আলাপ-আলোচনা চলতে চলতে
কখন যে ঘন্টা পড়ে গেল বুঝতে পারলামনা।
সমাপ্ত
* কমেন্ট বক্সে অবশ্যই কমেন্ট করে
জানাবেন গল্পটি কেমন লাগব.....ধন্যবাদ *
